মো: মোস্তাফিজার রহমান,পীরগঞ্জ (রংপুর ) প্রতিনিধিঃ
সরকারি স্কুলের বই নেওয়ার সময় “করিম লক্ষীপুর নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়” এর প্রধান শিক্ষক এবং বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের উপজেলা সংগঠন এর সভাপতি ঃআবুল কালাম আজাদ বইয়ের উপর বসে এবং বইয়ের উপর পা রেখে মোবাইল ফোনে কথা বলেন। বিষয় টি ওই প্রধান শিক্ষক কে জানালে তিনি অবজ্ঞা করে বলেন”” রুমের ভিতর আরো কত কি করেছি””এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মমিনুল ইসলামের সাথে কথা বললে তিনি তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন এই যদি হয় মানুষ গড়ার কারিগর এর অবস্থা তাহলে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের কি অবস্থা হবে? এই নেক্কার জনক কাজ প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক হয়ে যদি করতে পারে তাহলে কোমলমতি শীক্ষার্থীরা কি শিক্ষা গ্রহণ করবে? এছাড়াও ওই প্রধান শিক্ষকের বিদ্যালয় এর স্কুলের ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যাও অনেক কম। আরো তথ্য পাওয়া যায় স্কুলে পুরাতন বই জমা না দিলে নতুন বই বিতরণ বন্ধ করেন এই প্রধান শিক্ষক। এই প্রধান শিক্ষক কে দিয়ে কি করে প্রতিষ্ঠান চালানো সম্ভব? এ ধরনের ঘটনার জন্য সরকার যদি নিত তাহলে পরবর্তীতে এধরনের নেক্কার জনক ঘটনা আর কখনো ঘটবে না বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ রা।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/২২ ডিসেম্বর ২০১৯/ইকবাল